ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের না বলা ইতিহাসের এক ঝলক - ভাগ 15

 

 

তাতিয়া টোপে, বাণপুরের রাজা, ব্রিটিশ আর্মি থেকে বেরিয়ে এসে স্বতন্ত্র দল গঠন করে লড়াই করা দুই হাজার ভারতীয় সৈনিকের একটি দল এবং রানী লক্ষ্মীবাঈ—এই চারজন মিলে গোয়ালিয়র দুর্গ এবং গোয়ালিয়র প্রদেশের ওপর কাকভোরে এক জোরালো হামলা চালান।

গোয়ালিয়রের দেশীয় রাজারা ব্রিটিশদের সঙ্গে মিত্রতায় আবদ্ধ ছিলেন। সেই কারণেই তাঁরা রানি লক্ষ্মীবাই ও তাতিয়া টোপেকে সাহায্য করতে অস্বীকার করেছিলেনই শুধু তাই নয়, বরং ব্রিটিশদের কাছে সমস্ত তথ্যও পৌঁছে দিয়েছিলেন। তবে ইচ্ছাকৃতভাবেই সেই তথ্য ছিল অসম্পূর্ণ ও খণ্ডিত, আর তার অধিকাংশই এমনভাবে দেওয়া হয়েছিল যাতে ব্রিটিশরা বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে।

গোয়ালিয়রের দেশীয় রাজারা দুর্গটি রানি লক্ষ্মীবাইয়ের অধীনে তুলে দিয়ে এই সংগ্রাম থেকে নিজেদের দূরত্ব ব্রিটিশদের কাছে স্পষ্টভাবেই জানিয়ে দিয়েছিলেন এবং সেই অনুযায়ী গোয়ালিয়র ছেড়ে দূরে গিয়েও অবস্থান করছিলেন। তবে তাঁরা গোপনে রানি লক্ষ্মীবাইয়ের সহায়তার জন্য নিজেদের দুই জন সর্দারকে সেখানে রেখে দেন এবং একই সঙ্গে বিপুল পরিমাণ যুদ্ধসামগ্রীও মজুত করে রাখেন। সব মিলিয়ে গোয়ালিয়র রাজ্য থেকে রানি লক্ষ্মীবাইকে উপহারস্বরূপ ষোলোটি কামান ও প্রচুর পরিমাণ গোলাবারুদ প্রদান করা হয়েছিল। 

১৪ই জুনের ভোর পর্যন্ত রানি লক্ষ্মীবাই, তাতিয়া টোপে, রাওসাহেব পেশোয়া ও বাণপুরের মহারাজা সেনাবাহিনীকে সুসংগঠিতভাবে ব্যূহরচনায় সাজিয়ে তুলতে ব্যস্ত ছিলেন। রানি লক্ষ্মীবাইয়ের সেনাশক্তির প্রকৃত পরিমাণ সম্পর্কে জেনারেল হিউ রোজের কোনো ধারণাই ছিল না। কারণ গত দেড় মাসে অগণিত সাহসী নারী ও পুরুষ—শত শত পথ ছুটে এসে—ঝাঁসির রানির সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিল। 

জেনারেল হিউ রোজের কাছে প্রতিদিন যে গোপন সংবাদ পৌঁছাত, তার ভিত্তিতে ধারণা করা হয়েছিল যে রানি লক্ষ্মীবাইয়ের নিজের প্রায় চৌদ্দ হাজার সৈন্য রয়েছে। তেমনি তাতিয়া টোপের প্রায় তিন হাজার, বাণপুরের প্রায় দুই হাজার এবং স্বতন্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রামীদের পৃথক পৃথক দল মিলিয়ে আরও প্রায় চার হাজার যোদ্ধা থাকার কথা ছিল। কিন্তু রানি লক্ষ্মীবাইয়ের সেনাবাহিনীতে ঠিক কতজন প্রশিক্ষিত সৈন্য আছে এবং কতজন অনভিজ্ঞ অথচ প্রবল উৎসাহে ভরপুর সাহসী ভারতীয় যোদ্ধা আছে এই হিসাব সে স্পষ্টভাবে বুঝে উঠতে পারছিল না। সেই কারণেই বিষয়টি জানার জন্য সে নানা ধরনের আলাদা আলাদা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল। 

মেজর জেনারেল হিউ রোজ খুব ভালোভাবেই জানতেন যে রানি লক্ষ্মীবাই ও তাঁর সেনাবাহিনীই তাঁর প্রধান শত্রু, আর তাঁদেরকেই সর্বপ্রথম পরাজিত করা অত্যন্ত প্রয়োজন।

লর্ড ডালহৌসির পরে গভর্নর জেনারেলের পদ গ্রহণ করা লর্ড চার্লস ক্যানিং (Charles Canning) ছিলেন এক অত্যন্ত চতুর রাজনীতিবিদ। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি ছিল—তিনি ছিলেন ব্রিটিশ রানি ভিক্টোরিয়ার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও আস্থাভাজন ব্যক্তি। আসলে রানি ভিক্টোরিয়াই তাঁকে এই পদে নিয়োগ করে ভারতে পাঠিয়েছিলেন।

ভারতে এসেই তিনি বোম্বে ইউনিভার্সিটি, কলকাতা ইউনিভার্সিটি ও মাদ্রাজ ইউনিভার্সিটি—এই তিনটি আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। এর ফলে ভারতীয় যুবকদের জন্য ব্রিটিশদের সেবায় যুক্ত হয়ে উচ্চপদ লাভের পথ খুলে যায় এবং বিপুল সংখ্যক স্কলারশিপও প্রদান করা হয়। এর ফলস্বরূপ বড় বড় শহরের বহু ভারতীয় যুবক স্বাধীনতা-সংগ্রাম থেকে দূরে সরে যায়।

ফার্স্ট আর্ল ক্যানিং (First Earl Canning) গত দু’বছর ধরে অনিষ্পন্ন অবস্থায় থাকা এবং যুদ্ধের আগেই লর্ড ডালহৌসি দ্বারা প্রণীত ‘হিন্দু বিধবা পুনর্বিবাহ আইন’টি পাশ করিয়ে নেন এবং সেই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিও ভারতের সর্বত্র জারি করান।

বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং বিধবা পুনর্বিবাহ আইন—এই দুই কারণের ফলে সাধারণ ভারতীয়দের মধ্যে, বিশেষ করে মধ্যবিত্ত সমাজের তথাকথিত সংস্কারকদের কাছে এমন ধারণা জন্ম নিতে থাকে যে “ব্রিটিশরা যেন ঈশ্বরসম, তারা ভারতের উদ্ধার করতেই এসেছে।” এর ফলে সেই তথাকথিত সংস্কারক শ্রেণি যুবক ও নারীদের স্বাধীনতা-সংগ্রামে যোগ দিতে বাধা দেওয়ার জন্য নিরলস প্রচেষ্টা শুরু করে। এর কুফল ১৮৫৮ সালের জানুয়ারি মাস থেকেই স্পষ্টভাবে চোখে পড়তে শুরু করে। 
এই চার্লস ক্যানিং ঝাঁসি, গোয়ালিয়র ও কানপুর (কালপী) এই গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলির আশপাশের অঞ্চলে রানি লক্ষ্মীবাইকে জীবিত অথবা মৃত অবস্থায় ধরে দিতে পারলে ২০,০০০ টাকা নগদ পুরস্কার ও তার সঙ্গে ৫০০ একর জমি দেওয়ার ঘোষণা করেন। এই ঘোষণা সর্বত্র প্রচার করা হয়—গুরুত্বপূর্ণ স্থানে, বাজারে, এমনকি যাত্রা ও নৌটঙ্কির ময়দানের বাইরেও বোর্ড লাগানো হয়, লিফলেট বিলি করা হয় এবং প্রকাশ্যে ঘোষণা করা হতে থাকে। এর ফলস্বরূপ বহু অসহায় ও লোভী ভারতীয় মানুষ রানি লক্ষ্মীবাইয়ের গতিবিধির খবর ব্রিটিশদের কাছে পৌঁছে দিতে শুরু করে এবং ব্রিটিশদের নানা কাজে সহায়তাও করতে থাকে।

ঠিক এমনই এক বিশ্বাসঘাতকের দেখানো পথ অনুসরণ করে মেজর জেনারেল হিউ রোজ ১৮৫৮ সালের ১৪ জুন ভোরবেলায় গোয়ালিয়রের ওপর প্রায় ত্রিশ হাজার সৈন্য নিয়ে এক ভয়ংকর ও নির্মম আক্রমণ চালিয়েছিল।

এই আক্রমণটি মোট ছয় দিক থেকে পরিচালিত হয়েছিল। প্রতিটি স্থানে পাঁচ হাজার করে সৈন্য, ১৫০টি কামান এবং ৫৫০টি অত্যাধুনিক রাইফেল নিয়ে আক্রমণাত্মক যুদ্ধবিন্যাস গড়ে তোলা হয়েছিল।

এর পাশাপাশি বিশ্বাসঘাতকতা করা ভারতীয়দের দিয়ে এই ছয়টি ব্রিটিশ বাহিনীর মধ্যে একটি মানবশৃঙ্খল গঠন করা হয়েছিল, এবং সেই কাজে প্রায় ১০,০০০ ভারতীয়কে ব্যবহার করা হয়।

রানি লক্ষ্মীবাই নিজের কাছে থাকা সমগ্র সেনাবাহিনীকেও একইভাবে ব্রিটিশদের মোকাবিলা করার জন্য বিভিন্ন বিভাগে ভাগ করেছিলেন। সকলেই রানি লক্ষ্মীবাইয়ের নেতৃত্ব সর্বসম্মতভাবে মেনে নিয়েছিল।

ছয়টি স্থানে আক্ষরিক অর্থেই ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শুরু হয়ে গিয়েছিল। ব্রিটিশরা প্রথমে কামান ও রাইফেল ব্যবহার করত, তারপর ধীরে ধীরে তাদের সেনাবাহিনী সামনে অগ্রসর হতে থাকত।

রানি লক্ষ্মীবাই অবিরামভাবে ওই ছয়টি স্থানে ঘুরে ঘুরে সকলকে উৎসাহিত করছিলেন, সময়ে সময়ে যুদ্ধকৌশলে পরিবর্তন আনছিলেন এবং নিজেও প্রবল উদ্দীপনা নিয়ে সম্মুখযুদ্ধে অংশ নিচ্ছিলেন।

একাই রানি লক্ষ্মীবাই ১৪ ও ১৫ জুন—এই দুই দিনে ৩০০ জন ব্রিটিশ সৈন্য এবং ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত ১৭০ জন সেনা অফিসারকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছিলেন। অথচ রানি লক্ষ্মীবাইয়ের দেহে থাকা আগের ৫৯টি ক্ষত তখনও সম্পূর্ণভাবে সেরে ওঠে নি। 

১৬ই জুন সকাল প্রায় ৯টার দিকে রানি লক্ষ্মীবাইয়ের একান্ত বিশ্বাসভাজন গোপনচর ‘সাধু ভগবানদাস’ রানির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসেন। এই ভগবানদাস গত দুই বছর ধরে রানির জন্য গোপন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন। এই সাধুর সঙ্গে রানি লক্ষ্মীবাইয়ের পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন দেওয়ান রঘুনাথ সিং নিজেই। আর রানির পিতা শ্রী মোরোপন্ত তাম্বে জানিয়েছিলেন যে, ‘এই সাধু ভগবানদাস আসলে আগেকার চিন্তামণি রাস্তে নামক মোরোপন্তজির নিজস্ব ঘনিষ্ঠ ও বিশ্বস্ত বন্ধু ছিলেন।’

সাধু ভগবানদাস রানি লক্ষ্মীবাইকে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর শক্তি ও কামানবাহিনীর অবস্থান সম্পর্কে গভীর ও বিশদ তথ্য দিয়েছিলেন। এই ভগবানদাস ব্রিটিশ সেনাশিবিরে থাকা হিন্দু সৈন্যদের পূজা-পাঠ করানোর অজুহাতে সর্বত্র ঘুরে বেড়াতেন, ফলে ব্রিটিশ অফিসারদের মনে তাঁর সম্পর্কে কখনও কোনো সন্দেহ জাগেনি। কিন্তু রানি লক্ষ্মীবাইয়ের সবসময়ই মনে হতো—জটা, দাড়ি-গোঁফ, ভস্ম এবং রুদ্রাক্ষের মালায় আচ্ছাদিত সাধু ভগবানদাসের সেই রূপের অন্তরালে থাকা চোখদুটি যেন তাঁর খুবই চেনা।

আজও ঠিক তেমনই হলো। সব খবর রানি লক্ষ্মীবাইকে জানিয়ে সাধু ভগবানদাস তাঁকে সম্মানসহকারে প্রণাম করে গোপন পথে চলে যাওয়ার জন্য রওনা হলেন। তিনি পেছন ফিরে যেতেই তাঁর পিঠের কাপড়ে লেগে থাকা রক্তের দাগ আর তাঁর গেরুয়া অঙ্গরখা থেকে ঝরে পড়া রক্তবিন্দু দেখে রানি লক্ষ্মীবাই ব্যাকুল হয়ে সামনে এগিয়ে গেলেন। ঠিক তাঁর চোখের সামনেই ভগবানদাস মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন…

আর ঠিক সেই মুহূর্তেই তাঁর মাথায় থাকা জটাগুলো খুলে পাশে পড়ে গেল, সঙ্গে সঙ্গে নকল দাড়ি ও গোঁফও খুলে পড়ল।

রানি লক্ষ্মীবাইয়ের চোখের সামনেই তাঁর পিতা মোরোপন্ত তাম্বে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করছিলেন। আবেগে ভেসে রানি লক্ষ্মীবাই তাঁর পিতার মস্তক নিজের কোলে তুলে নেন, আর ঠিক সেই মুহূর্তেই মোরোপন্তজি দেহত্যাগ করেন। এক মুহূর্তের জন্য গভীর শোকে রানি লক্ষ্মীবাই ভেঙে পড়েন, 
“‘এই চোখ দুটোকে আমি চিনতে পারলাম না কেন?’’

কিন্তু পরমুহূর্তেই পিতার চরণে মাথা রেখে রানি লক্ষ্মীবাই তাঁর ‘বাদল’ নামের ঘোড়াটিতে আরোহণ করলেন। এই ‘বাদল’ ঘোড়াটি তাঁকে তাঁর পিতাই উপহার দিয়েছিলেন।

রানি লক্ষ্মীবাই প্রচণ্ড রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শুরু করলেন।তিনি সর্বশক্তি দিয়ে লড়াই করছিলেন। এক মুহূর্তের জন্যও তিনি ঘুমোননি।

  ১৮ জুন ভোর হতেই ব্রিটিশদের কামানগুলো রানি লক্ষ্মীবাই যেখানে অবস্থান করছিলেন, সেই স্থানে চারদিক থেকে একযোগে গোলাবর্ষণ শুরু করে।

একদিকে রানি লক্ষ্মীবাই, মুন্দরবেগম, রাজকুঁয়ার যাদব ও মঞ্জুনাথ পাহাড়ি ছিলেন; আর রানির প্রতি অপরিসীম ভালোবাসায় অনুপ্রাণিত তাঁর ভগ্নীপুত্র ‘রামচন্দ্ররাও’ সহ মোট ২৫০ জন সৈন্য উপস্থিত ছিলেন।

আর তাঁদের চারদিক ঘিরে ছিল ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত ১৫০ জন অফিসার, ২৫০টি কামান এবং প্রায় দশ হাজার ব্রিটিশ সৈন্য। 

রানি লক্ষ্মীবাইয়ের দেহে এমন কোনো স্থান অবশিষ্ট ছিল না, যেখান থেকে রক্ত ঝরছিল না; তবু সেই অবস্থাতেও তিনি অবিরাম যুদ্ধ করেই চলেছিলেন।

তাঁর ঘোড়া বাদলের চার পায়েই গুলি লাগলে রানী ঘোড়া থেকে পড়ে যান। 

ঘোড়া থেকে পড়ে যেতে যেতে রানি লক্ষ্মীবাই নিজের পিঠে বাঁধা দত্তকপুত্র ‘দামোদররাও’-কে রাজকুঁয়ার যাদবের হাতে তুলে দেন এবং নিরাপদে সরে যাওয়ার পথও দেখিয়ে দেন।

মাটিতে লুটিয়ে পড়েও, হাতে তলোয়ার ধরে যুদ্ধ করতে করতেই রানি লক্ষ্মীবাই সেই অবস্থাতেই এক নতুন ঘোড়ার ওপর লাফিয়ে চড়ে বসেছিলেন।

দু’হাতে তলোয়ার ধরে যুদ্ধরত রানি লক্ষ্মীবাইয়ের পিঠে এক ব্রিটিশ সৈন্য আঘাত হানে।

শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করার মুহূর্তে রানি লক্ষ্মীবাই রাজকুঁয়ার ও রামচন্দ্ররাওকে চিৎকার করে বলেছিলেন, 
“একজন ব্রিটিশের স্পর্শও যেন আমার মৃতদেহে না লাগে।”

তাঁর মুখে তখন গীতার শ্লোক উচ্চারিত হচ্ছিল।

রানি লক্ষ্মীবাই ঝাঁসির দিকেই তাকিয়ে ছিলেন। তাঁর দৃষ্টির সামনে ভেসে ওঠা ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে অশ্রুসজল নয়নে দেখে তিনি বললেন, 
“বাসুদেব! আমি শুধু তোমারই শরণ নিলাম।” 

পরবর্তী পাঁচ মিনিটের মধ্যেই রামচন্দ্ররাও, রাজকুঁয়ার ও মোতিবাই তাঁর দেহ জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে অগ্নিসংস্কার সম্পন্ন করেন।

রানি লক্ষ্মীবাইয়ের মৃত্যু কখনোই হতে পারে না।

তিনি আজও ভারতমাতার হৃদয়ে বিরাজমান

                   এবং চিরকাল সেখানেই থাকবেন।

(কথা চলবে)

Comments