সদগুরুর অভয়কবচ... - ডা. রাজীব কর্ণিক

সদগুরুর অভয়কবচ... - ডা. রাজীব কর্ণিক

৮ অক্টোবর ২০০৫-এর সন্ধেবেলা ছিল। আমি আমেরিকার ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকে দুমাসের ট্রেনিংয়ের জন্য যাচ্ছিলাম বলে, ব্যাগে অনেক মালপত্র গোঁজাখুঁজি করছিলাম। ঠিক তখনই আমার স্ত্রী সৌ. প্রিয়া, ওর সদগুরুর ফটো নিয়ে এল (হ্যাঁ, তখন আমি তাঁকে শুধু ওরই সদগুরু বলে মনে করতাম) আর আমাকে বলল, ‘‘রাজীব, তোমার যে বিশ্বাস নেই তা আমি জানি, কিন্তু অন্তত আমার জন্য তুমি এই ফটোটা তোমার ব্যাগে রাখো।’’ তখন আমার বিন্দুমাত্র ধারণাও ছিল না যে এই ফটোর পরমপূজ্য বাপুর আশীর্বাদের জন্য তোলা হাত আমার জীবনে আসা এক ‘প্রচণ্ড সুনামি’-কে রুখে দেবে! এমনিতে দেখতে গেলে, সেই সময় আমি বছরে ৫ থেকে ৬ বার বিদেশে যেতাম, কিন্তু ঠিক এই সময়েই আমার স্ত্রীর আমাকে এই ফটো দেওয়ার কথা মনে হওয়াটা নিছক কোনো কাকতালীয় ব্যাপার ছিল না।

নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে আমার পিঠে (পাঁজরে) ব্যথা হতে শুরু করে। আমি নিজেকে বোঝালাম যে স্নোফল আর ঠান্ডা কনকনে হাওয়ার কারণে, হসপিটাল থেকে হোটেলের ছোটাছুটিতে হয়তো পেশিতে টান ধরেছে। পরের ৫ দিনেই আমি দেশে ফিরছিলাম বলে আমি সেখানে আমেরিকায় চেক-আপ করানোর ঝামেলায় পড়লাম না। আমার তখন বাস্তবের কোনো ধারণাই ছিল না যে আমার শরীরে ‘ব্লাড ক্যান্সার’-এর মতো ভয়ানক রোগ থাবা বসিয়েছে। আমি ভারতে ফেরার সময় আমার শরীরের প্লেটলেট-এর পরিমাণ মাত্র ১০ হাজারে এসে দাঁড়িয়েছিল (সুস্থ মানুষের ক্ষেত্রে এর পরিমাণ দেড় লাখ থেকে সাড়ে চার লাখ হয় আর এই পরিমাণ ২০ হাজারের চেয়ে কমে গেলে মৃত্যুর জোর সম্ভাবনা থাকে)। এখন আমার বিশ্বাস হয়ে গেছে যে আমার স্ত্রীর দেওয়া বাপুর ফটোর মাধ্যমে, ও বাপুকেই আমার ওপর নজর রেখে আমার খেয়াল রাখার অনুরোধ করেছিল। এই পরিস্থিতিতে আমি বিমানযাত্রার সময় যদি মদ্যপান করতাম তাহলে যাত্রাপথেই পেটে রক্তক্ষরণ হয়ে সব শেষ হয়ে যেত। কিন্তু আমাকে যাত্রায় মদ্যপান থেকে দূরে রাখা আর এত অতিগম্ভীর নাজুক অবস্থায় আমেরিকা থেকে লন্ডন আর সেখান থেকে মুম্বই এরকম যাত্রা আমি কী করে করতে পারলাম ভেবে আজকেও আমার আশ্চর্য লাগে।

ভারতে ফেরার পর, আমার একদিন জেটলাগ-এর কারণে আর দ্বিতীয় দিন দুমাস ধরে অপেক্ষা করা রোগীদের দেখতে কেটে গেল আর তৃতীয় দিন রক্ত পরীক্ষায় অ্যাকিউট মায়েলয়েড লিউকেমিয়া (ব্লাড ক্যান্সার)-এর কথা ধরা পড়ল। একদিন ডা. রামমূর্তির তত্ত্বাবধানে বোম্বে হসপিটালে কাটালাম, কিন্তু রাতে শরীর খুব খারাপ হয়ে গেল। আমার স্ত্রী, ডা. সৌ. প্রিয়া কাঁদতে কাঁদতে এই বিষয়টা হ্যাপি হোমে থাকা ডা. শিবানন্দসিংহ নিচনাকির কানে তুলল।

হঠাৎ করে রাত দেড়টায় ডা. শিবানন্দসিংহের ফোন এল প্রিয়ার কাছে আর তিনি বললেন, ‘‘প.পূ. বাপুর বার্তা আছে যে উনি তোমার পাশে দাঁড়িয়ে আছেন আর ক্যান্সার স্পেশালিস্টদের ওঁদের ট্রিটমেন্ট শুরু করতে দাও।’’ সেই ভরসা আর আশ্বাসে প্রিয়া মানসিকভাবে এত স্থির হয়ে গেল যে একদম শেষ পর্যন্ত; মানে জুনে আমার পুনর্বার গৃহপ্রবেশ হওয়া পর্যন্ত আমাকে সাহস জুগিয়ে গেল।

সেই রাতে আরও একটা অবাক করা ঘটনা ঘটল। মাঝরাতের পর আই.সি.সি.ইউ.-এর বাইরের ওয়াচম্যান একটা জুটিকে আমার রুমে এক ঝলক দেখা করে যেতে দেখেছিল। আমার আত্মীয়দের মধ্যে কেউ সেই সময়ে আসেনি। প্রিয়ার বিশ্বাস হয়ে গেল যে, ওর সদগুরুই দেখা করে গেছেন, কারণ এরকমই কিছু অভিজ্ঞতা আমি নিজে আমার তত্ত্বাবধানে থাকা বাপু ভক্তদের হার্ট অপারেশনের পর তাঁদের ক্ষেত্রে হয়েছে বলে শুনেছিলাম।

পরের দিন ২৬ নভেম্বর আমাকে টাটা হসপিটালে নিয়ে যাওয়ার সময় আমার শরীর খুব খারাপ হয়ে যায় আর সেখানে পৌঁছানো পর্যন্ত আমার ফুসফুস জলে ভরে গিয়েছিল। নিঃশ্বাস নেওয়ার জন্য ছটফট করতে করতে, আমার হঠাৎ করে জোর আসে আর সেখানকার আর.এম.ও. পৌঁছানোর আগেই আমি নিজেই ‘পালমোনারি এডিমা’-র ট্রিটমেন্ট চেয়ে নিই। এর ফলে ফুসফুস পরিষ্কার হয়ে যাওয়ায় আমার ভেন্টিলেটর-এ যাওয়া আটকে গেল, কারণ ভেন্টিলেটর-এ গেলে, আমার ফেরার পথ অসম্ভবই ছিল। ২৭ নভেম্বর আমাকে টাটার আই.সি.ইউ.-তে আশেপাশের রোগীদের দেখে বাস্তবের উপলব্ধি হলো। আশেপাশে জীবনের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকা রোগীদের আর তাদের যন্ত্রণা দেখে আমি আমার ভবিষ্যৎ দেখতে পাচ্ছিলাম। আমার ভবিষ্যৎ খুবই হতাশাজনক ছিল।

আমার দুটো ফুসফুসই নিউমোনিয়াতে আক্রান্ত হয়েছিল আর তার প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় কার্যকরী সাদা কোষই শরীরে ছিল না কারণ তার জায়গা ক্যান্সার-এর ব্লাস্ট কোষ নিয়ে নিয়েছিল। ডাক্তারদের মতে এমন পরিস্থিতিতে 100% মৃত্যুর সম্ভাবনা থাকে। এই যন্ত্রণাদায়ক যাত্রার মধ্যে দিয়ে যাওয়ার চেয়ে তাড়াতাড়ি মুক্তি পাওয়া যায় কিনা ভেবে আমি শর্টকাট-এর সম্ভাবনা খুঁজতে লাগলাম। হার্টের সার্জারিতে সাময়িকভাবে হার্ট থামানোর জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান আমার ভালো করেই জানা ছিল। তার মধ্যে কিছু কড়া উপাদান আমি পেয়ে, নিজের হার্ট আমি থামাতে পারব কিনা তা আমি খুঁজতে লাগলাম। এই সম্ভাবনা অসম্ভব বলে বুঝতে পারার পর আমি ভীষণ হতাশ হয়ে নিশ্চল হয়ে শুয়ে রইলাম। কিন্তু আমার স্ত্রী, প্রিয়া একদম শক্ত ছিল আর আমাকে সাহস দিচ্ছিল।

এরই মধ্যে আমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো একটা ঘটনা ঘটল। ২৮ নভেম্বরের রাতে আমি একটা স্বপ্ন দেখলাম আর তাতে প.পূ. বাপু নিজে একটা লম্বা ঝাড়ু নিয়ে পরিষ্কার করছিলেন (মিউনিসিপ্যালিটির সাফাইকর্মীদের ঝাড়ু নিয়ে) আর তিনি আমাকে ভরসা দেওয়ার মতো করে তাঁর হাত ওপরে তুললেন। তিনি যে জায়গাটা পরিষ্কার করছিলেন সেটা ছিল আমার ফুসফুস। আমি হঠাৎ করে জেগে উঠে প্রিয়াকে বললাম, ‘‘তোমার বাপু আমার ফুসফুস ক্লিন করে দিয়েছেন আর এখন আমার আশা আছে যে নাউ আই ক্যান মেক ইট।

বুধবার, ৩০ নভেম্বর প.পূ. সৌ. নন্দাই নিজে দুজন রোগীকে আশীর্বাদ দেওয়ার জন্য টাটা হসপিটালে এলেন আর সেই ২ জন রোগীর মধ্যে একজন ছিলাম আমি। নন্দাই আমাকে বললেন, ‘‘আমি বাপুর মেসেজ নিয়ে এসেছি। তুমি এই লড়াই ফাইট করে জিতবে। ফাইটার হমেশা জিততা হ্যায়।’’ পরের দিনই, ১ ডিসেম্বর টাটার ফিজিওথেরাপিস্ট এসে আমার ফুসফুসের ব্যায়াম শুরু করালেন। সদগুরুর একটা আশ্বাসেই অন্যরকম মনের জোর এল আর আশার আলো দেখতে পেলাম, তারপর সারাদিন আমি শ্বাসপ্রশ্বাসের ব্যায়াম করে গেলাম। এক দিনের মধ্যেই আমার ফুসফুসে হঠাৎ করে উন্নতি হওয়ায়, আমাকে আই.সি.সি.ইউ. থেকে বের করে একান্তে বি.এম.টি. ইউনিটে শিফট করা হলো।

আমার প্রথম কেমোথেরাপির পর আমাকে বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট সংক্রান্ত পরামর্শ দেওয়া হলো। আমেরিকায় তার খরচের হিসেব করতে গিয়ে দেখা গেল যে ভাই-বোনের কাছ থেকে বোন ম্যারো পেলে ২ কোটি কিন্তু আমেরিকান ডোনার-এর কাছ থেকে বোন ম্যারো নিলে এই খরচ ৫ কোটি পর্যন্ত যেতে পারে আর বর্তমানে আমেরিকায় এর মধ্যে 30% রোগীর মারা যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এত আর্থিক ব্যবস্থা করা অসম্ভব বলে প্রিয়া প.পূ. দাদাকে জানাল। তখন তিনি শান্তভাবে বললেন, ‘‘কোনও চিন্তা কোরো না। আমরা সব ট্রিটমেন্ট টাটা-তেই করব।’’ তারপরের আমার টাটার প্রোগ্রেস খুবই আশ্চর্যের ছিল।

একবার চিফ অঙ্কোলজিস্ট ডা. পুরবীষ পারিখ আমাকে বললেন, ‘‘Someone up there is helping you. Otherwise your survival was very difficult.. (কোনো এক দৈব শক্তি আপনাকে সাহায্য করছে। না হলে আপনার বাঁচাটা খুব কঠিন ছিল।)’’

যদিও আমার এই প্রাণঘাতী রোগ থেকে মুক্তি পেয়েছিলাম, তবুও সাধারণত এটা সাময়িকই হয়। তার মানে আমি জানতাম যে কোনো ব্যতিক্রমী কেস-এই এই রোগ আবার মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে না। নইলে রিল্যাপ্স হওয়াটা অনিবার্যই থাকে। সেইজন্যই হফম্যানের গ্রন্থে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এই রোগে আয়ুষ্কাল সাধারণত ৩ বছরেরই হয়। এই সব বিষয়ের জ্ঞান থাকায় আমি ভবিষ্যৎ নিয়ে সন্দিহান আর অস্বস্তিতে ছিলাম। এমন সময় প্রিয়া প.পূ. সুচিতদাদার সাথে আমার দেখা করিয়ে দিল। সেই সময় ক্লিনিকে আমাকে দাদা বললেন, ‘‘রাজীব, একটা কথা মনে রেখো যে সামনে বিষধর সাপ যদিও ফণা তুলে দাঁড়িয়ে থাকে তবুও সে ছোবল মারবে নাকি ওইভাবেই চলে যাবে তা সব দত্তগুরুই ঠিক করবেন।’’ এরপরের গণেশোৎসবের দিনে প.পূ. বাপু আমাকে বললেন, ‘‘রাজীব, এবার বই আর গ্রন্থ সরিয়ে রাখো। তোমার ক্ষেত্রে খুবই ব্যতিক্রমী ঘটনা ঘটেছে আর এতে বইয়ের জ্ঞান খাটে না।’’ আর সত্যিই দেখতে দেখতে পাঁচ বছর পার হতে চলল। এই সময়ের মধ্যে আমার বড় মেয়ের বিয়ে, বিদেশযাত্রা আর সেইসাথে ছোট মেয়ের মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হওয়া এই সব বিষয়ে আমি হাত লাগাতে পেরেছি।

এই আশ্চর্যজনক অনুভূতির পূর্বাভাস দেওয়ার মতো একটা ঘটনা ২০০৩ সালে ঘটেছিল। ২০০৩ সালের জগন্নাথ উৎসবে আমার স্ত্রী ‘সাবিত্রীধাম’ নামক জায়গায় সেবা করার সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু এই ধামে প.পূ. বাপুর আগমন হবে না বলে ও বেশ দুঃখ প্রকাশ করেছিল। কিন্তু তখন কি আর ধারণা ছিল যে এই সাবিত্রীধামের সেই পুণ্যসঞ্চয় মানে ২০০৫ সালে ওর সত্যবানকে যমরাজের কাছ থেকে ফিরিয়ে আনার জন্যই প.পূ. বাপুর ছকা কোনো পরিকল্পনা হবে?

আমার অভিজ্ঞতার প্রথম অংশে আমি প.পূ. বাপুর সম্পর্কে ‘আমার স্ত্রীর সদগুরু, ওর বাপু’ এরকম লিখেছি। তবে আমার মনে প.পূ. বাপুর সম্পর্কে অনাদর কখনওই ছিল না। বরং তাঁর কাজের প্রতি আমার পূর্ণ সম্মান ছিল। আমি তাঁকে যুগপ্রবর্তক বলে মনে করতাম। যেভাবে লোকমান্য তিলক তাঁর প্রবন্ধ আর ভাষণের মাধ্যমে দাসত্বের শৃঙ্খল ভাঙার জন্য একটা পরিবর্তন ঘটিয়েছিলেন, সেইভাবেই বাপু তাঁর প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব, বাণী আর চিন্তাধারার মাধ্যমে বর্তমানের বিপথে যাওয়া প্রজন্মকে সুপথে আনছেন, অসহায় কৃষকদের জন্য আর সেইসাথে গ্রামীণ এলাকার স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের জন্য তাঁর সংস্থা মহান কাজ করছে, এটা আমি দেখতাম। কিন্তু ভগবান এই ধারণাটা আমার কাছে মান্য ছিল না। এর চেয়েও অন্য যে চিন্তাটা আসত যে আমার সাথেই রুইয়া কলেজে আর তার পর এম.ডি. পর্যন্ত আমার সহপাঠী হঠাৎ করে ভগবান কী করে হয়ে গেল?

এইভাবে আমি নতুন জীবনে প্রবেশ করার পর অনেক অভিজ্ঞতা আলাদা দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে অনুভব করেছি। তার মধ্যে আমার পেশার কারণে আমার সান্নিধ্যে আসা হৃদরোগীদের কিছু অবাক করা অভিজ্ঞতা শামিল আছে। কিছু বাপুভক্ত হার্ট অ্যাটাকের পর আমার কাছে অ্যাঞ্জিওগ্রাফির জন্য এলে দেখা গেছে যে কখনও হার্ট অ্যাটাকের জন্য দায়ী রক্তের ডেলা প্রধান করোনারি ধমনী থেকে সরে গিয়ে ছোট কোনো উপশাখায় আশ্রয় নিয়েছে তো কখনও এই রক্তের ডেলা পুরোপুরি গলে গেছে বলে দেখা গেছে। এক রোগীর হার্টের সংকোচন ক্ষমতা 15% হওয়া সত্ত্বেও কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সম্পূর্ণ ঠিক হয়ে গেছে বলে দেখা গেছে।

ওপরে উল্লিখিত এই ঘটনাগুলো বিজ্ঞানসম্মতভাবে সম্ভবও, কিন্তু সেগুলো বারবার যখন একটা পুণ্যসঞ্চিত বর্গের ক্ষেত্রে চোখে পড়তে থাকে, তখন দৈবকৃপা আর ‘সদগুরুর অভয়কবচ’ ছাড়া অন্য কোনো ব্যাখ্যাই দেখতে পাওয়া যায় না। এই জন্যই সকালে আহ্নিক করা হয়ে গেলে সদগুরু শ্রীঅনিরুদ্ধের ৯ গুরুবচন বলার সময় আমি নিজের স্বানুভব দেখতে পাই আর আমি মন থেকে বলি, ‘‘আমার ভয়, দুঃখভার হালকা হয়ে গেছে, আমার দেবযানপন্থী রক্ষাকর্তা সদগুরু আছেন, আমাকে আনন্দঘন দেওয়া আর আমার যোগক্ষেম বহনকারী সদগুরু আছেন, আমার জীবনে অসম্ভব তা সম্ভব হয়ে রাবণের বধ হয়েছে আর আমার ভক্তিশরণ্যের কারণে সদগুরু অনিরুদ্ধের আমার ওপর কৃপাদৃষ্টি রয়েছে।’’

Hindi English



Comments